ভ্রমণবন্ধু

ভারতীয় ভিসায় পোর্ট পরিবর্তন করবেন কিভাবে?

ভারতীয় ভিসায় পোর্ট পরিবর্তন করবেন কিভাবে?

যারা ঘনঘন ভারতে ঘুরতে যান, ইদানিং তাদের একটা সমস্যা কমন হয়ে পড়েছে। সেটা হলো ভারতীয় ভিসার পোর্ট সমস্যা। অনেকের পাসপোর্টেই এক বছরের মাল্টিপল ভিসা লাগানো থাকে, কিন্তু দেখা যায় ভারতে একবার ঘুরে আসার পর আবার ভারতের অন্য কোথাও যেতে চাইলে পড়তে হয় পোর্ট সমস্যায়। যেমন পুরনো ভিসায় হরিদাসপুর পোর্ট দেয়া থাকলে তখন সিলং, দার্জিলিং কিংবা আগরতলা যেতে সমস্যা হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে সিলং এর জন্য ডাউকি পোর্ট, দার্জিলিং অথবা সিকিম এর জন্য বাংলাবান্দা অথবা চেংড়াবান্দা পোর্ট, আর আগরতলার জন্য আখাউড়া পোর্ট সবচেয়ে সুবিধাজনক। অবশ্য যারা বিমানে যাওয়া আসা করে তাদের জন্য সমস্যা নয়, সমস্যা হয় যারা স্থল পথে বাস অথবা ট্রেনে যাওয়া আসা করতে চায় তাদের। পুরনো পোর্ট বদলে নতুন পোর্ট করে নেয়াটা কঠিন কিছু নয়। পুরনো বা চলমান ভিসায় অন্তত একবার ঘুরে আসার পরই নতুন পোর্টের জন্য আবেদন করে পোর্ট পাল্টে নেয়া যায়।

বলে রাখা ভালো যারা বাসে যাতাযাত করে তারা শ্যামলি পরিবহনে টিকিট কাটলে, শ্যামলি পরিবহন কতৃপক্ষ পোর্ট পরিবর্তন করতে সহায়তা করে। এক কথায় তাদের কাছে পাসপোর্ট আর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তারাই ভিসায় পোর্ট পরিবর্তন করে দেয়। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যর জন্য শ্যামলি বাসের আরামবাগ কাউন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করলেই হবে।

আর যারা নিজে নিজে ভিসায় পোর্ট বদল করতে চান তাদের জন্য নিয়মটা একটু ভিন্ন। সরাসরি আইভেক বা ভারতীয় ভিসা কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ভিসায় পোর্ট পাল্টে নিতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে খুব সামান্য কিছু আনুষ্ঠানিকতা করতে হবে। প্রথমে ভারতীয় ভিসার অফিসিয়াল ওয়েব সাইট এ গিয়ে নির্ধারিত ফরম ডাউললোড করে পুরন করতে হবে। মাত্র এক পাতার একটি ফরম, সামান্য কিছু অতি জরুরী তথ্য লিখে পুরন করতে হবে। সাথে পাসপোর্ট এর ব্যাক্তি তথ্য পাতার ফটোকপি এবং মুল ভিসার ফটোকপি সহ এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ফটো জমা দিতে হবে। জমা দেবার জন্য যমুুনা ফিউচার পার্ক এর ভিসা সেন্টার এ গিয়ে সরাসরি নয় নম্বর কাউন্টারে দাড়ালেই হবে। নয় নম্বর কাউন্টারে সময়ভেদে তিন চার জনের মতো লাইন থাকে। পাসপোর্ট সহ কাগজপত্র জমা দেবার সময়ই পোর্ট এড ভিসা ফি ৩০০টাকা জমা নিয়ে নেবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আপনাকে রিসিভ টোকেন দিয়ে দেবে। সাধারনত চার থেকে পাচ কার্যদিবস পরের তারিখ দেয়া থাকে রিসিভ টোকেনে। আর এইসব কিছুর জন্য দশ মিনিটের বেশি সময় লাগেনা।

আগেই যেমন বলেছি,মনে রাখতে হবে আপনার মূল ভিসায় যে পোর্টটি দেওয়া আছে অন্তত একবার হলেও ওই পোর্ট দিয়ে আপনাকে ঘুরে আসতে হবে। নতুন করে পোর্ট পরিবর্তনের জন্য অতিরিক্ত কোন কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। অতিরিক্ত চাপ অথবা অন্য কোনো কারনে টোকেনে উল্লেখিত সময়ে ভিসা নাও হতে পারে, অনেক সময় দুই একদিন দেরি হয়। তবে টোকেনে উল্লেখিত সময়ে এসএমএস না আসলে বা দেরি হলে টোকেনের ছবি এবং বিমান অথবা বাস কনফার্ম টিকেটের ছবি সহ মেইল করলে দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়া যায়। মেইল করতে হবে visahelp@ivacbd.com এই মেইল আইডিতে।

ছবি – সংগৃহীত

Tags

Add Comment

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password