ভ্রমণবন্ধু

মেহেরপুর; ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার জেলা - Hosted By

Not review yet
3
Add Review Viewed - 328

বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল মেহেরপুর জেলা। আমাদের দেশে ৭১-এর যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর আম্রকাননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে পৃথক হয়ে যায় মেহেরপুর এবং স্বতন্ত্র জেলার মর্যাদা পায়। ৩টি উপজেলা, ১৮টি ইউনিয়ন, ১৮০টি মৌজা, ২৮৫টি গ্রাম, ২টি পৌরসভা, ১৮টি ওয়ার্ড এবং ১০০টি মহল্লা নিয়ে গঠিত হয়েছে এই মেহেরপুর জেলা।

মেহেরপুর এক প্রাচীন জনপদ। তবে ইতিহাসের পাতা থেকে বহু পূর্বেই হারিয়ে গেছে মেহেরপুর-এর নামকরণ সম্পর্কে যথার্থ তথ্য-প্রমাণসমূহ। অনুমান, অনুধাবন অথবা বিশ্লেষণ এই নিয়েই এ বিষয়ে সন্তুষ্টি ছাড়া উপায় নেই। অনেকদিন ধরে এ বিষয়ে ব্যাপক লেখালেখি হলেও বিষয়টিতে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

মেহেররপুর জেলার নামকরণ সম্পর্কে এ পযর্ন্ত দুটি অনুমানসিদ্ধ তথ্য পাওয়া গেছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ইসলাম প্রচারক দরবেশ মেহের আলী নামে একজন ব্যক্তির নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ষোড়শ শতকের দিকে মেহেরপুর নামকরণের সৃষ্টি। আর দ্বিতীয়ত বচনকার মিহির ও তার পুত্রবধূ খনা এই শহরে বাস করতেন বলে এই মিহিরের নাম থেকে মিহিরপুর পরবর্তীতে তা রূপান্তরিত হয়ে মেহেরপুর নামের উৎপত্তি হয়েছে।

আমাদের দেশের ছোট্ট একটি জেলা মেহেরপুর তবে ইতিহাস কিন্তু প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। প্রাচীনকাল থেকেই এখানে গড়ে উঠেছে নানা ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু স্থাপনা হলো- মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স, ভবানন্দপুর মন্দির, আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন, বলরাম হাড়ি মন্দির, আমঝুপি নীলকুঠি, ভাটপাড়ার নীলকুঠি, স্বামী নিগমানন্দ আশ্রম, বল্লভপুর চার্চ, শেখ ফরিদের দরগাহ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, মেহেরপুর পৌর কবর স্থান, মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ।

মেহেরপুর জেলার এসব ঐতিহ্যবাহী স্থান এখন ভ্রমণপ্রিয় মানুষের চিত্তবিনোদনের জায়গা হয়ে উঠেছে। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে এসব স্থাপনা দেখতে।

Tags

Add Reviews & Rate

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password