ভ্রমণবন্ধু

ব্যাংকক ভ্রমণ: কি দেখবেন, কোথায় থাকবেন, কি খাবেন - Hosted By

Not review yet
3
Add Review Viewed - 91

ভ্রমণপ্রিয় মানুষের অন্যতম আকর্ষণের ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ডের রাজধানী শহর ব্যাংকক। যারা ইতোমধ্যে ব্যাংকক ভ্রমণ করেছেন, তারা জানেন কতটা ব্যস্ত এই শহর। চাও ফ্রায়া নদীর তীরে গড়ে ওঠা শহরটিতে রয়েছে কয়েকশ বছরের ইতিহাস আর ঐতিহ্য।

এখানে রয়েছে অসংখ্য স্মৃতিবিজড়িত যাদুঘর, স্থাপত্য, দৃষ্টিনন্দন আর্ট গ্যালারি; যা দেখতে ভিড় করে বিশ্বের নানা দেশ থেকে আসা অসংখ্য দর্শণার্থী। যাতায়াত ব্যবস্থাও বেশ সুবিধাজনক; স্কাই ট্রেন, পাতাল ট্রেন, বাস, স্পিড বোট, প্যাডেল বোট, ট্যাক্সি সবই পেয়ে যাবেন ঘোরাঘুরির জন্য।

শুধু ঘোরাঘুরি নয়, এই শহরটির খাবারেও রয়েছে বৈচিত্র। বাজেটের মধ্যেই মানসম্পন্ন ও মুখোরোচক খাবার সেরে নিতে পারবেন। আর বিনোদন? দিনরাত ব্যস্ততম এ শহরে থাকে কোলাহল আর উৎসবের আমেজ। বলতে গেলে ২৪ ঘণ্টাই বিনোদন।

আবহাওয়া
থাইল্যান্ডে মূলত উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ তিন ধরনের অঞ্চল অনুযায়ী আবহাওয়া পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বছরের একই সময়ে তিন ধরনের অঞ্চলে তিন রকম আবহাওয়া থাকে। ব্যাংককের অবস্থান মধ্যাঞ্চলে। ব্যাংককের আবহাওয়া সারা বছরই মোটামুটি উষ্ণ ও আদ্র থাকে। তবে ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মাঝে মাঝে মার্চের শুরুর দিক পর্যন্ত আবহাওয়া কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। মাথায় রাখবেন, এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যকার সময় ব্যাংককে গেলে প্রচণ্ড গরম ও বাতাসের আদ্রতা অনেক বেশি থাকে। অনেকে বাধ্য হয়েই ছুটিছাটা ম্যানেজ করে এই সিজনেই যান। এতে খরচও কিছুটা কম হয়।

যে জায়গাগুলো ঘুরে দেখলে পরিপূর্ন হবে ব্যাংকক ভ্রমণ:

মাদাম তুসো যাদুঘর (Madame Tussauds)
বিশ্বের খ্যাতিসম্পন্ন সব ব্যক্তিদের সরাসরি দেখার সৌভাগ্য না হলেও তাদের অনুরূপ প্রতিকৃতি দেখার সুযোগ আছে এই যাদুঘরে। মোমের তৈরি মূর্তিগুলো এতোটাই নিখুঁত যে; যে কেউই প্রথম দর্শনে হতভম্ব হয়ে যেতে পারেন। বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন থেকে শুরু করে রানী এলিজাবেথ, বিশ্বখ্যাত অভিনেতা টম ক্রুজ ছাড়াও বিভিন্ন জনপ্রিয় তারকাদের প্রতিকৃতির সাথে নিশ্চিন্তে যেকোনো পোজে ক্যামেরবন্দি করতে পারবেন নিজেকে।

ফ্লোটিং মার্কেট (Floating market)
আর কোথাও না গেলেও ভাসমান মার্কেটে একবার হলেও যাবেন। বেশ কয়েকটি নামকরা ফ্লোটিং মার্কেট পাবেন এখানে। ডিঙি নৌকায় চড়ে তাজা ফল সবজি থেকে শুরু করে হাতের কাজের নজরকাড়া বস্তু সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বসে বিক্রেতারা। প্রাকৃতিক পরিবেশে নৌকায় ভাসতে ভাসতে কেনাকাটা করার অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা। শুধু তাই নয় বিকেলের দিকে এখানে হাতি কিংবা কুমির নিয়ে খেলা, ঐতিহ্যবাহী নাচ, তলোয়ার যুদ্ধ এমনকি কিক ফাইটিং দেখানো হয়ে থাকে। মোট কথা এই ভাসমান বাজার না দেখলে ব্যাংকক ভ্রমণ বৃথা।

ওয়াত ফো (Wat Pho Buddhist temple)
যারা প্রথমবারের মতো ব্যাংকক ভ্রমণ করতে যাবেন তারা প্রাচীন এই বৌদ্ধ মন্দির না ঘুরে আসবেন না। বুদ্ধার ছবির সর্বোচ্চ সংগ্রহশালা হলো এই মন্দির। এখানে দেখা মিলবে গৌতম বুদ্ধের ১৫০ ফুট লম্বা আর ৪০ ফুট উঁচু সোনার পাতে মোড়ানো এবং পা জোড়া মুক্তা দিয়ে তৈরি একটি শায়িত মূর্তি।

গ্র্যান্ড প্যালেস (Grand Palace)
এই আকর্ষনীয় রাজপ্রাসাদটির পূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো চাও ফ্রায়া নদীর পাশ ঘেষে ওয়াটার ট্যাক্সি বা নৌকায় চড়ে। গ্র্যান্ড প্যালেসেরই অংশবিশেষ ওয়াত ফ্রা কায়েও (Wat Phra Kaeo) বা এমেরাল্ড বৌদ্ধ মন্দির (Emerald Buddha) যা ব্যাংককের অন্যতম পবিত্র স্থান। এখানে দুই ফুট উচ্চতার সবুজ রঙের বুদ্ধের মূর্তি আছে। একটি বিষয় না বললেই নয়, সেটা হলো এই মূর্তিটিকে শীতকালে বিশেষ একটি শাল, গ্রীষ্মকালে মুকুট ও বিশেষ রত্ন এবং বর্ষাকালে স্বর্ণমণ্ডিত পোশাক ও পাগড়ি দিয়ে সাজানো হয়। এই জায়গায় দেখার মতো বেশ কয়েকটি প্যাগোডাও রয়েছে।

ওয়াত অরুন (Wat Arun)
যদিও এই মন্দিরটি ভোরের মন্দির হিসেবে পরিচিত, তবে এর আসল সৌন্দর্য সূর্যোদ্বয় এবং সূর্যাস্ত দুই সময়ই ফুটে ওঠে। এর আশপাশের পরিবেশ বেশ শান্ত, কোলাহলমুক্ত। বিশেষ করে থোনবুড়ি নদীর সামনে থেকে এর দৃশ্য তুলনাহীন।

সাফারি ওয়ার্ল্ড (Safari World)
দুটি অংশে বিভক্ত এটি। একটি সাফারি পার্ক, যেখানে দেখা মিলবে বিরল প্রজাতির অনেক প্রানী। পশুপাখি ভালোবাসলে কিংবা তাদের লাইভ কর্মকাণ্ড দেখতে চাইলে সাফারি পার্কে বেড়াতে যাবেন। আরেকটি অংশ হলো মেরিন পার্ক। সমুদ্র তলদেশের অজানা প্রানীদের সম্পর্কে জানতে পারবেন। হাতে সময় থাকলে বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে পারেন সাফারি ওয়ার্ল্ডে।

ড্রিম ওয়ার্ল্ড (Dream World)
এই বিনোদন পার্ক অনেকটা ডিজনি ল্যান্ডের মতো। কিছুটা কাল্পনিক কিংবা ফেইরি টেলের থিমে গড়ে তোলা হয়েছে এখানকার দালানগুলো। এই থিম পার্কের রাইডগুলোতে কিছুটা সাহস করেই চড়তে হয়। দুঃসাহসিক রোলার কোস্টার, বাম্পার কারের মতো আরো মজার সব রাইডে চড়তে পারবেন। যেমন, ওয়াটার রাইড, হন্টেড হাউজ ইত্যাদি। বাচ্চাদের জন্যও আলাদ রাইড ও বিভিন্ন ডিজনির কালেকশন আছে।

ব্যাংকক ভ্রমণ করার আগে কোথায় থাকবেন সে সম্পর্কে একটু আগে থেকে ধারণা থাকা ভালো। এতে ভ্রমণের বাজেট ঠিক করতেও সুবিধা হয়।

ব্যাংককের রিসোর্ট

আপনার বাজেটের ওপর নির্ভর করবে আপনি কোথায় থাকতে চাচ্ছেন। এখানে বিলাসবহুল থেকে শুরু করে বেশ সস্তা রিসোর্ট রয়েছে। আগে থেকে এগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া ভালো। তবে ভ্রমণে যাওয়ার আগে নিচের তালিকা অনুযায়ী নোট করে রাখতে পারেন। সবার সুবিধার জন্য বাজেট অনুযায়ী একটি তালিকা দিচ্ছি।

থ্রি স্টার থেকে শুরু করে ফাইভ স্টার রিসোর্ট

ধাবকোয়েন রিসোর্ট (Dhabkwan Resort)
ব্যাংকক ন্যাচারাল স্পা রিসোর্ট অ্যান্ড সুইট (Bankok Natural Spa Resort & Suite)
নাভালাই রিভার রিসোর্ট (Navalai River Resort)
লানতানা রিসোর্ট হোটেল (Lantana Resort Hotel)
মন্ত্রি রিসোর্ট দনমুয়াং (Montri Resort Donmuang)
অনানতারা রিভারসাইড ব্যাংকক রিসোর্ট (Anantara Riverside Bangkok Resort)

সাধ্যের মধ্যে কিংবা ৮০০ থাই বাথ/আড়াই হাজার টাকার মধ্যে যেসব রিসোর্টে যেতে পারেন-
ফোক পোতথেল (Folk Poshtel)
চিক হোস্টেল (Chic Hostel)
বেইগ পোতথেল (Beige Poshtels)
দ্য কটেজ সুওয়ার্নাভুম (The Cottage Suvarnabhumi)
ভিলা ফ্রা সুমেন ব্যাংকক (Villa Phra Sumen Bangkok)
তারা প্যালেস (Tara Place)
সার্ন সুখুমভিত টুয়েন্টি এইট (Sarnn Sukhumvit 28)
এরাওয়ান হাউজ (Erawan House)
রামবুত্রি হাউজ (Rambuttri House)
আইবিস ব্যাংকক রিভারসাইড (Ibis Bangkok Riverside)
অ্যারি সুওয়ার্নাভুম (Airy Suvarnabhumi Hotel)
থং তা রিসোর্ট (Thong Ta Resort)
ফ্লোরাল শাইর রিসোর্ট (Floral Shire Resort)
নাসা ভেগাস হোটেল (Nasa Vegas Hotel)

ব্যাংককের রুফটপ হোটেল ও সুইমিং পুল

আকাশচুম্বী ভবনের ছাদে সময় কাটাতে কে না ভালোবাসে? তার ওপর যদি সাথে থাকে প্রিয় মানুষটি। ক্যান্ডেল লাইট ডিনার, সুইমিং পুলে ভেসে ড্রিংকস কিংবা সাথে রোমান্টিক পরিবেশ আরো কত কি। একেবারে অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হবে এই রুফটপ হোটেলগুলোতে কিছুসময় কাটালে। ব্যাংককের এমনই কয়েকটি রুফটপ হোটেলের নাম জানিয়ে রাখছি।

বানিয়ান ট্রি (Banyan Tree)
সো সোফিতেল (So Sofitel)
ইসটিন গ্র্যান্ড হোটেল সাথর্ন (Eastin Grand Hotel Sathorn)
ওয়ান থার্টি সেভেন পিলার্স সুইটস অ্যান্ড রেসিডেন্স (137 Pillars Suites & Residence)
নভোতেল ব্যাংকক সুখুমভিত ফোর (Novotel Bangkok Sukhumvit 4)
আওয়ানি রিভারসাইড ব্যাংকক হোটেল (Avani + Riverside Bangkok Hotel)
আমারা ব্যাংকক (Amara Bangkok)
সিওয়াতেল (Sivatel)
মোদ সাথর্ন হোটেল (Mode Sathorn Hotel)

ব্যাংককের রেস্টুরেন্ট ও স্ট্রিট ফুড স্পট

থাইল্যান্ডের ডাইনিং এর প্রশংসা জগৎখ্যাত। রাজধানী ব্যাংককে ঘুরে বেড়ানো ছাড়াও যদি আপনি শুধুমাত্র খাবারের কথা চিন্তা করে যান তাহলেও আপনি হতাশ হবেন না। টক, ঝাল, মিষ্টি একসাথে মেশানো স্বাদ আর প্রচুর মশলাযুক্ত খাবারের স্বাদ পেলে এমনিতেই আপনার মুখের রুচি বদলে যাবে।

নামিদামি রেস্টুরেন্টে কন্টিনেন্টাল থেকে শুরু করে স্ট্রিট ফুড সবই পাবেন এখানে। তবে বলে রাখা ভালো এখানকার স্ট্রিট ফুড খেলে অন্য খাবারের চিন্তা মাথায়ই আসবে না। কয়েকটি রেস্টুরেন্ট এবং স্ট্রিট ফুড স্পটের নাম জানিয়ে রাখছি যেখানে পাবেন অথেন্টিক থাই ফুড। যেমন: টম ইয়াম স্যুপ, বিভিন্ন স্টাইলের সালাদ, মাছের বার-বি-কিউ আর নানা ধরনের কারি, সি ফুড আইটেম, নুডলস, রেড ও গ্রিন কারি আর নানান স্বাদের আচার।

স্ট্রিট ফুড স্পট
রান জে ফাই (Raan Jay Fai)
থিপসামাই প্যাদথাই (Thipsamai Padthai)
প্রেচাক পেত ইয়াং (Prachak Pet Yang)
সোম ত্যাম জে সো (Som Tam Jay So)
তালিং চান (Taling Chan Floating Market)
ওয়েং লাং (Wang Lang)
নায় মোং হোই থদ (Nai Mong Hoi Thod)
প্যাদ থাই নানা (Pad Thai Nana)
লুম্পিনি পার্ক (Lumpini Park)
সুখুমভিত সোই থার্টি এইট (Sukhumvit Soi 38)
খাও সান রোড (Khao San Road)
সোই রামবুত্রি (Soi Rambuttri)
লাইয়েব দুয়ান (Liab Duan)

বিলাসবহুল রেস্টুরেন্ট-
ইসসায়া সিয়ামেসে ক্লাব (Issaya Siamese Club)
বো ল্যান (Bo.Lan)
নাম (Nahm)
লং টেবিল (Long Table)
স্যাফরন অ্যাত বানিয়ান ট্রি (Saffron at Banyan Tree)
থানিইং রয়্যাল কুইজিন (Thanying Royal Cuisine)
স্টিভ ক্যাফে কুইজিন (Steve Café and Cuisine)
সাপাননিগা ইটিং রুম (Supanniga Eating Room)
বান হোম কুইজিন (Baan Home Cuisine)
গ্যাগগ্যান (Gaggan)
লোকাল রেস্টুরেন্ট-
থিপ সামাই প্যাদ থাই (Thip Samai Pad Thai)
জ্যা ফাই রেস্টুরেন্ট (Jae Fai Restaurant)
ওয়াতানা প্যানিক (Wattana Panich)
লেক সি লোম (Lek Seafood Silom)
জোক প্রিন্স (Jok Prince)
কুয়াং হেং কাইতন প্রেতুনাম (Kuang Heng Kaiton Pratunam)
কুয়ে জাব নাই হুয়ান (Kuay Jab Nai Huan)
বোট নুডুলস ইন ভিক্টোরি মনুমেন্ট (Boat noodles in Victory Monument)

ব্যাংককের শপিং স্পট
এখানে পাবেন থাই ঐতিহ্যবাহী হাতের কাজের বিভিন্ন বস্তু সামগ্রী, সুভেনির, থাইদের ঐতিহ্যবাহী অ্যান্টিক আইটেম, সিরামিক, জামাকাপড়, জুতা, ব্যাগ, বই, ঘর সাজানোর জিনিস আরো নানা ধরণের গিফট আইটেম আর মুখরোচক সব খাবার। এখানকার নাইট মার্কেট গুলো কিন্তু বেশ জমজমাট। কেনাকাটার জন্য উপযুক্ত এই নাইটমার্কেটগুলো। আর এসব মার্কেটে অল্প খরচে অনেক কেনাকাটা করতে পারবেন। এমন কয়েকটি মার্কেটের নাম জেনে নিন-
চাটুচাক উইকেন্ড মার্কেট (Chatuchak Weekend Market)
তালাদ রত ফাই শ্রিনাকারিন নাইট মার্কেট (Talad Rot Fai Srinakarin Night market)
ইউনিয়ন মল (Union Mall)
পানতিপ প্লাজা (Pantip Plaza)
এমবিকে শপিং সেন্টার (MBK Shopping Center)
সামপেং মার্কেট (Sampeng Market)
ভিক্টোরি মনুমেন্ট মার্কেট (Victory Monument Market)
পাতপং নাইট মার্কেট (Patpong Night Market)

ব্যাংকক ভ্রমণে যে বিষয়গুলো জেনে রাখা ভালো:

১। যেকোনো কিছু কেনাকাটার ক্ষেত্রে দর কষাকষি করবেন। পর্যটক দেখলে দোকানিরা এমনিতেই চড়া দাম হাকায়।
২। ট্যাক্সি বা টুকটুক কোথাও থামানো অবস্থায় থাকলে সেগুলোর পরিবর্তে চলমান ট্যাক্সি থামিয়ে ভাড়া করবেন। আর ভুলেও জিজ্ঞেস করবেন না ভাড়া কত। আগে থেকেই বিশ্বস্ত কোনো গাইড বা হোটেলের কারো কাছ থেকে যেনে যাবেন।
৩। ড্রাইভার তার ট্যাক্সি বা টুকটুক আপনাকে নিয়ে কোথাও পার্ক করতে চাইলে রাজি হবেন না।
৪। স্কাইট্রেনে যাতায়াতে খরচটা কিছুটা কমাতে পারবেন। এছাড়া বোটে যাতায়াতের অভিজ্ঞতার সাথে খরচটাও কম পড়বে। আর বাইকে ঘুরলে খরচ সব থেকে কম।
৫। ব্যাংকক ভ্রমণ করতে যাবেন আর স্ট্রিটফুড খাবেন না, তা কি হয়? অবশ্যই ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের স্ট্রিটফুড চেখে দেখবেন।
৬। বারগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত নিচ তলায় বসার চেষ্টা করুন। দোতলা বা ওপরের তলায় আপনাকে কেউ নিতে চাইলেও সুন্দর করে বুঝিয়ে তাকে না করে দিন। খারাপ ব্যবহার করতে যাবেন না।
৭। হাতে হিসেবের চেয়ে বাড়তি কিছু টাকা/থাই বাথ রাখুন। ডলার সেখানেই ভাঙাতে পারবেন। এতে কিছুটা লাভবানও হবেন।
৮। পিক সিজন হলে অবশ্যই কয়েক মাস আগে থেকে হোটেল বুকিং দিয়ে রাখবেন। আজকাল অবশ্য সব সিজনেই লোকজন ঘুরে বেড়ায় তাই অফ সিজনে গেলেও আগে থেকে বুকিং দেয়া ভালো। অফ সিজনে অবশ্য খরচ মোটামুটি কমে আসবে।
৯। ইংরেজি বলার অভ্যাস না থাকলে ভ্রমণের আগেই কিছু প্রচলিত বাক্য ও শব্দ নোট করে নিন; যেগুলো দেশের বাইরে কথোপকথনে প্রয়োজন হয়।

Tags

Add Reviews & Rate

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password