ভ্রমণবন্ধু

ফেনী; প্রাচীন ভূখণ্ড - Hosted By

Not review yet
4
Add Review Viewed - 264

ফেনী নদীর নামানুসারে রাখা হয় ফেনী জেলার নাম। ১৮৮১ সালে ‘ফেনী’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। মধ্যযুগের কবি সাহিত্যিকারা একটা বিশেষ নদীর স্রোতধারা ও ফেরী পারের ঘাট হিসেবে ফনী শব্দ ব্যাবহার করত। ধারণা করা হয় আদি শব্দ ‘ফনী’ মুসলমান কবি ও সাহিত্যিকদের ভাষায় ফেনীতে রূপান্তরিত হয়েছে।

এ জেলা গঠন করা হয়েছে ৬টি উপজেলা (ছাগলনাইয়া, দাগনভূঁইয়া, পরশুরাম, ফুলগাজী, ফেনী সদর, সোনাগাজী) নিয়ে। ফেনী জেলার পৌরসভা ৫টি (ছাগলনাইয়া, দাগনভূঁইয়া, পরশুরাম, ফেনী, সোনাগাজী)।

অনেক পূর্বে এই এলাকা ছিল সাগরের অংশ। আর উত্তর-পূর্ব দিক ছিল পাহাড়িয়া অঞ্চলের পাদদেশ। ধারণা করা হয় ফেনীর কাজির বাগের পোড়ামাটি অঞ্চলে সম্ভবত আদিকালের শিকারী মানুষদের প্রথম পদচিহ্ন পড়েছিল। বর্তমান ছাগলনাইয়া গ্রামে ১৯৬৩ সালে একটি পুকুর খনন করার সময় নব্য প্রস্তর যুগের মানুষের ব্যবহৃত একটি হাতকুড়াল পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকদের মতে এই হাতকুড়াল প্রায় পাঁচ হাজার বছরের পুরাতন একটি প্রাচীন হাতিয়ার।

ফেনীর ভূখণ্ডকে পণ্ডিতেরা প্রাচীন বলে আখ্যা দিয়েছেন। এখানকার ছাগলনাইয়া উপজেলার শিলুয়া গ্রামে এক প্রাচীন ঐতিহাসিক শিলামূর্তির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে; যা প্রমান করে, এখানে হয়ত বৌদ্ধ ধর্ম ও কৃষ্টির বিকাশ ঘটেছিল। তাছাড়া এখানে বেশ কয়েকটি পুরাকীর্তি স্থাপনাও রয়েছে। সেগুলো হলো চাঁদগাজী ভূঁঞা মসজিদ, সাত মঠ বা সাত মন্দির ও পাগলা মিঞাঁর মাজার।

এ জেলায় বেশ কিছু দর্শনীয় স্থানও রয়েছে। তার মধ্যে কৈয়ারা দীঘি, চৌধুরী বাগান বাড়ী, প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি, বিজয় সিংহ দীঘি, শমসের গাজীর কেল্লা, ও জগন্নাথ কালী মন্দির উল্লেখযোগ্য।

Tags

Add Reviews & Rate

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password