ভ্রমণবন্ধু

জয়পুরহাট; প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের ছোট জেলা - Hosted By

Not review yet
3
Add Review Viewed - 263

ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত জয়পুরহাট জেলার ইতিহাস অস্পষ্ট। কারণ এই সময়টাতে ভারতবর্ষে ইতিহাসে জয়পুরহাটের কোনো স্বতন্ত্র ভৌগোলিক অবস্থান ছিল না। বাংলায় বৃটিশ শাসন চলাকালে ১৮২১ সালে রাজশাহী জেলার চারটি, দিনাজপুর জেলার ৩টি ও রংপুর জেলার ২টি থানা নিয়ে যে বগুড়া জেলা গঠিত হয়েছিল তারই অংশ নিয়ে গঠিত হয় জয়পুরহাট মহকুমা এবং পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে জয়পুরহাট জেলা গঠন করা হয়।

রাজশাহী বিভাগের অধিনস্ত এবং দিনাজপুর, নওগাঁ ও বগুড়া জেলার সন্নিকটেই অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ভরা একটি সুন্দর ছোট জেলা জয়পুরহাট। জয়পুরহাট দীর্ঘদিন যাবত গৌড়ের পাল এবং সেন রাজাদের রাজ্য ভূক্ত ছিল। একারণে এই জেলার চারিদিকে ছড়িয়ে আছে অনেক ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি ও নান্দনিক স্থান।

এ জেলার সুজলা-সুফলা সবুজ শস্য ভরা দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ যে কোনো ভ্রমণপিপাসুকে মুগ্ধ হতে বাধ্য করবে। এজন্য এ জেলার পর্যটন শিল্পে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

এ জেলায় খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য রয়েছে। এখানে রয়েছে চুনা পাথর এবং কয়লার খনি। অনুমান করা হয় এখানকার চুনা পাথর খনিতে প্রায় ১২০০ মিলিয়ন টন চুনাপাথর মজুদ রয়েছে। আর এখানকার জামালগঞ্জে যে কয়লা পাওয়া গেছে তা হল বিটুমিনাস কয়লা। বিটুমিনাস, লিগনাইট কয়লার পরিবর্তিত রূপ; যা মৃত গাছপালা থেকে সৃষ্ট বলে ধারণা করা হয়। বিটুমিনাস কয়লা সৃষ্টি হতে (১৫-২০) কোটি বছর সময় লাগে। কৃষি খাতেও এ জেলা বেশ ভালো অবস্থানেই আছে। এখান থেকে রপ্তানি হচ্ছে চিনি, আলু ও ধান।

এই জেলায় বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সেগুলো হল- হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ, নিমাই পীরের মাজার, বাস্তবপুরী, বার শিবালয় মন্দির, লকমা রাজবাড়ি, পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি, গোপীনাথপুর মন্দির, শিশু উদ্যান, আছরাঙ্গা দীঘী, দুয়ানী ঘাট ইত্যাদি।

Listing Features

Tags

Add Reviews & Rate

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password