ভ্রমণবন্ধু

‘চাঁদগাজী ভূঁঞা মসজিদ’ - Hosted By

Not review yet
3
Add Review Viewed - 184

ফেনীর পূর্বাঞ্চলের একজন স্বনামধন্য ও প্রভাবশালী জমিদার চাঁদগাজী ভূঁঞা। প্রায় চারশ’ বছর আগে ১১২২ খ্রিস্টাব্দে এই জমিদার নির্মাণ করেন ‘চাঁদগাজী ভূঁঞা মসজিদ’। মোগল স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মিত এই মসজিদ এক অপূর্ব সৌধ মালা; যা এখনো ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের বিস্মিত করে। বর্তমানে এই স্থাপত্যশিল্প রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের।

ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নে ২৮ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় এই মসজিদটি। ইট এবং সুড়কি দিয়ে ‘চাঁদগাজী ভূঁঞা মসজিদ’-এ নানা কারুকার্য করা হয়। এ মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪৮ ফুট, প্রস্থ ২৪ ফুট এবং উচ্চতা ৩৫ ফুট। মসজিদটির তিনটি গম্বুজ এর সৌন্দর্যকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

মসজিদে প্রবেশের জন্য প্রাচীন কারুকার্য খচিত দরজা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন তিনটি কাঠের দরজা রয়েছে। ভেতরে প্রবেশ করলে প্রাচীন ঐতিহ্যের অনেক চিহ্ন পাওয়া যায়। এখানে কয়েকশ’ মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে সংস্কারের অভাবে প্রাচীন এ স্থাপত্য এখন বিলুপ্তের পথে।

মসজিদের পাশেই ১৮ শতক জায়গায় একটি দিঘী তৈরি করেন চাঁদগাজী। স্বচ্ছ পানির দিঘীটি প্রাচীন এ মসজিদকে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে; দিয়েছে নতুন মাত্রা।

প্রাচীন এ মসজিদকে ঘিরে এখানে বেশ কয়েকটি ধর্মীয় শিক্ষালয় গড়ে উঠেছে। এর আগে মক্তবে পড়ে এলাকার ছেলে-মেয়েরা ধর্মীয় শিক্ষালাভ করলেও ১৯৮২ সালে চাঁদগাজীর বংশধররা মসজিদের পাশে চাঁদগাজী ভূঁঞা দারুল কুরআন নামে একটি নুরানি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন।

এছাড়াও চাঁদগাজী ভূঁঞার নামে এ এলাকায় চাঁদগাজী বাজার, চাঁদগাজী ইসলামিক পাঠাগার, চাঁদগাজী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

Tags

Add Reviews & Rate

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password