ভ্রমণবন্ধু

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা - Hosted By

Not review yet
2
Add Review Viewed - 136

১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান ফয়েজ লেকের পাশে ছয় একর জমিতে বিনোদনের জন্য চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাটি প্রতিষ্ঠা করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় চালু হওয়া চিড়িয়াখানাটি এক সময়ে হয়ে ওঠে চট্টগ্রামবাসীর বিনোদনের অন্যতম স্থানে।

চিড়িয়াখানাটি চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার উত্তর-পূর্বদিকে পাহাড়তলী ইউএসটিসি মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। চিড়িয়াখানায় বর্তমানে চিড়িয়াখানাটিতে ৬৬ প্রজাতির মোট ৬২০টি প্রাণি আছে। এখানকার সাদা বাঘ, জেব্রা, সিংহ, ম্যাকাওসহ বিভিন্ন প্রজাতির বিদেশি পাখি, উট পাখি, ইমু, বন গরু, কুমির দর্শকদের অন্যতম আকর্ষণ।

চলতি বছর চিড়িয়াখানার ভিতরে হাঁটার পথ এবং পাহাড় ঘেরা গাইড ওয়ালটি রঙিন দেয়ালচিত্রে রাঙানো হয়েছে শিশুদের আকৃষ্ট করতেই। যাতে এখানে প্রবেশের সাথে সাথেই এত রঙ তাদের মন আনন্দে ভরে ওঠে। চিড়িয়াখানা লাগোয়া প্রায় আড়াই একর বিস্তৃত পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় ৭৩০ ফুট দীর্ঘ গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে ২২ লাখ টাকায়।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান এবং চট্টগ্রামের অন্যান্য অভিজাত ব্যক্তিবর্গ প্রাথমিকভাবে ফয়েজ লেকে চিত্তবিনোদন, শিক্ষা এবং গবেষণার উদ্দেশ্যে চিড়িয়াখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়।

পরবর্তিতে ১৯৮৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই চিড়িয়াখানা সাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। প্রথমদিকে এক টিকিটেই চিড়িয়াখানা এবং ফয়েজ লেকে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও ১৯৯৫ সালে দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি বাড়তি লাভের বিষয়টি বিবেচনা করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ দুইটি আলাদা গেটে পৃথক টিকিটের মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা করে।

১৯৮৯ সালে চিড়িয়াখানা উদ্বোধনের পর টিকিটের মূল্য ছিল ১ টাকা। পরর্তীতে তা বৃদ্ধি করা হয় ২ টাকা। এভাবে পশু-পাখির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে টিকিটের দামও। বর্তমানে প্রতি টিকিটের দাম ৩০ টাকা।

Tags

Add Reviews & Rate

You must be logged in to post a comment.

Sign In ভ্রমণবন্ধু

For faster login or register use your social account.

or

Account details will be confirmed via email.

Reset Your Password